এস এম নিয়াজ মাওলা
ধনু রাশির জাতক নিয়াজ স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন, ভালবাসেন মানুষের জন্য কিছু করতে। আর তাই নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন চিকিৎসা পেশায়। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় কর্মরত ডা: নিয়াজ অবসর সময়ে লেখালেখির মাধ্যমেই নিজের ভালোলাগাকে খুঁজে ফিরেন।
পেশা নয় - নেশা
পেশায় একজন চিকিৎসক আর নেশায় একজন নবীন কথা সাহিত্যিক। পেশাগত জীবনটাকে মানুষ সিরিয়াসলি নেয়। এই পেশাগত জীবনের টানেই ছোটবেলা থেকে এত পড়াশুনা করে, এত এত ডিগ্রী নিয়ে একটা পর্যায়ে এসে মানুষ থিতু হয়। ক্যারিয়ার চলতে থাকে আপন গতিতে।
পেন্সিল ফাউন্ডেশন
এস এম নিয়াজ মাওলা পেন্সিলের ক্রিয়েটার অ্যাডমিন এবং তখন থেকেই পেন্সিলের অ্যাডমিন প্যানেলে যুক্ত আছেন। করোনাকালীন সময়ে পেন্সিলে জনসচেতেনতামূলক সরাসরি সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠান - 'The Frontline Fighter' অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা এবং পরিচালনার সাথে জড়িত ছিলেন।
500
ব্লগ পোস্ট
7
মিথোলজীর উপর লেখা বই
2012
ডয়েচে ভেলে সেরা ব্লগার
10000
বই বিক্রি হয়েছে
আমার আমি ...

নতুন লেখা ব্লগ
-
কৃষ্ণ নদীর শহরে
পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ কী?আমার কাছে উত্তরটা সহজ—থ্রিলার লেখা।কারণ থ্রিলার মানে শুধু গল্প না। থ্রিলার মানে সময়কে ফাঁদে ফেলা। পাঠকের শ্বাসকে নিজের ইচ্ছামতো ধীর-দ্রুত করা। এমন একটা বাক্য লেখা, যার পরে আরেকটা বাক্য না পড়লে ঘুম আসবে না।তিন বছর আগে এক অদ্ভুত মুহূর্তে আমি একটা কথা দিয়েছিলাম। বিবলিওফাইলের সাব্বিরকে। বলেছিলাম—আমার প্রথম থ্রিলারটা ওদেরই দেব। তখন মনে হয়েছিল, কী আর এমন? গল্প তো লিখি। পুরাণ লিখেছি, ভ্রমণ লিখেছি, ইতিহাস লিখেছি। থ্রিলারও লিখব।কিন্তু থ্রিলার অন্য জিনিস।কীভাবে তুতানখামুনের অভিশাপের সৃষ্টি হল?
১৯২৩ সালের এপ্রিল মাস!এডওয়ার্ড স্ট্যানহোপ মলিনিউ হারবার্ট—কার্নারভনের পঞ্চম আর্ল—জীবনের এই সময়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষের একজন হওয়ার কথা ছিল।তিনি ছিলেন ধনী, ইংল্যান্ডে তাঁর বিশাল এস্টেট, বিখ্যাত রেসের ঘোড়া পালার খ্যাতি। তার ওপর, ১৯২২ সালের নভেম্বর মাসে মিশরে প্রত্নতত্ত্ববিদ হাওয়ার্ড কার্টারের সঙ্গে মিলে তিনি আবিষ্কার করেছিলেন ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত সমাধি—ফারাও তুতানখামুনের কবর। সারা পৃথিবী তাঁকে চিনত “কিং টুট”-এর আবিষ্কারক হিসেবে।আমি প্রেম করব
আমি প্রেম করব।আমার বাড়ি গ্রামে—কিন্তু আমি গ্রামের ছেলে নই। এই কথাটা বললেই যেন ভেতরে একটা অস্বস্তি নড়ে ওঠে। গ্রামে জন্ম ছিল না, গ্রাম আমাকে বড়ও করেনি। আমার শৈশবের উঠোনে ধুলো ছিল না, বিকেলের মাঠে গড়ানো রোদ ছিল না। ঘুড়ি কাটাকাটি খেলিনি, ডাংগুলি বা দাঁড়িয়াবান্ধা আমার শরীরে কখনো ঢোকেনি। গোল্লাছুট, বরফ পানি, সাত চারা—নামগুলো চেনা, কিন্তু স্মৃতিগুলো নয়। মার্বেল কীভাবে খেলতে হয় জানি না। দৌড়ে গিয়ে নদী বা পুকুরে ঝাঁপ দেওয়ার সাহস পাইনি। গাছের মগডালে উঠিনি, আমবাগান থেকে আম চুরি করিনি। বৃষ্টিতে ভিজে অকারণে হেসে ওঠার সেই উন্মাদ আনন্দটাও কখনো হয়নি।

নতুন বই
মিথেরা যেখানে শ্বাস নেয়(হার্ডকভার)
by এস এম নিয়াজ মাওলা
Category: মিশরীয় সভ্যতার ইতিহাস

ব্যথার রাজ্যে আনন্দের খোঁজে

পুনশ্চঃ ক্যামেরা এবং একটি সম্পর্কের গল্প

মিথগুলো হল জীবনের কথা। তারা আমাদেরকে এমন একটি জায়গায় নিয়ে যায় যেখানে আমরা আগে কখনও যাইনি - তারা আমাদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সম্ভাবনাগুলোকে প্রকাশ করে
Myths are clues to the spiritual potentialities of the human life.
এস এম নিয়াজ মাওলা সম্পর্কে
এস এম নিয়াজ মাওলা। পেশায় একজন চিকিৎসক আর নেশায় একজন নবীন কথা সাহিত্যিক। পেশাগত জীবনটাকে মানুষ সিরিয়াসলি নেয়। এই পেশাগত জীবনের টানেই ছোটবেলা থেকে এত পড়াশুনা করে, এত এত ডিগ্রী নিয়ে একটা পর্যায়ে এসে মানুষ থিতু হয়। ক্যারিয়ার চলতে থাকে আপন গতিতে। সময়টাও চলতে থাকে নিজের মতো করে। ব্যাপারটায় কেমন একটা বাধ্যবাধকতার গন্ধ পাওয়া যায়। তাই না? পেশাগত জীবনটাকে চাবি দিয়ে ঠিকঠাক না রাখলে পুরো জীবনটাই তছনছ হবার পথে চলে যায়। অথচ এই জীবনটাকে ঠিক রাখতে মনের খোরাকের ব্যবস্থাও করতে হয়! নিয়াজ ভাইয়ের এই মনের খোরাক হচ্ছে লেখালেখি!
















