নতুন ব্লগ পোস্ট

কৃষ্ণ নদীর শহরে

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ কী? আমার কাছে উত্তরটা সহজ—থ্রিলার লেখা। কারণ থ্রিলার মানে শুধু গল্প না। থ্রিলার মানে...

Read more: কৃষ্ণ নদীর শহরে

কীভাবে তুতানখামুনের অভিশাপের সৃষ্টি হল?

  ১৯২৩ সালের এপ্রিল মাস!   এডওয়ার্ড স্ট্যানহোপ মলিনিউ হারবার্ট—কার্নারভনের পঞ্চম আর্ল—জীবনের এই সময়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষের একজন হওয়ার...

Read more: কীভাবে...

আমি প্রেম করব

আমি প্রেম করব।   আমার বাড়ি গ্রামে—কিন্তু আমি গ্রামের ছেলে নই। এই কথাটা বললেই যেন ভেতরে একটা অস্বস্তি নড়ে ওঠে। গ্রামে...

Read more: আমি প্রেম করব

এক বিকেলের ভুল ইচ্ছে

  কারো কাছে পৃথিবীটা যেন খুব ধীরে ঘোরে। সময় হাঁটে, দম নেয়, মাঝেমধ্যে থেমে তাকায়। আর কারো কাছে—একবার চোখের পলক ফেলতেই দিন...

Read more: এক বিকেলের...

আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম

আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ করে। কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই। দুপুরবেলা—যে সময় শহরটা কাঠের মতো নিরব থাকে। রোদ...

Read more: আমি অসুস্থ...

লেখক পরিচিতি

ধনু রাশির জাতক এস এম নিয়াজ মাওলা, পেশায় চিকিৎসক এবং জনস্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষক। তিনি বর্তমানে জাতিসংঘের অধীনে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত। মানুষের জন্য কিছু করার স্বপ্ন নিয়েই তিনি নিজেকে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত করেছেন এবং অবসর সময়ে লেখালেখির মাধ্যমে নিজের সৃজনশীলতাকে প্রকাশ করেন। 

২০১২ সালে তাঁর ব্যক্তিগত ব্লগ 'সুড়ঙ্গ' জার্মান রেডিও সম্প্রচার কেন্দ্র ডয়চে ভেলের ববস প্রতিযোগিতায় ব্যবহারকারীদের ভোটে বাংলা ভাষার সেরা ব্লগ হিসেবে পুরস্কৃত হয়। ২০১৩ সালে তিনি অর্থকণ্ঠ হেলথ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন, যা তাঁর জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কাজের প্রতি স্বীকৃতি। 

নিয়াজ মাওলার লেখালেখির জগৎও সমানভাবে সমৃদ্ধ। তিনি পুরাণ ও মিথলজির উপর ভিত্তি করে অসাধারণ সব গ্রন্থ রচনা করেছেন, যা পাঠকমহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তাঁর 'আদি থেকে অন্ত' সিরিজের বইগুলো পাঠকদের নিয়ে গেছে পুরাণের রহস্যময় জগতে। তাঁর লেখনীতে ফুটে ওঠে জীবন, ইতিহাস, এবং মানবিকতার গভীর উপলব্ধি। 

প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ –

মিথলজির আদি থেকে অন্ত সিরিজ -

গল্পগ্রন্থ -

পুরাণ ভিত্তিক উপন্যাস –

ভ্রমণ কাহিনি –

বারোয়ারি উপন্যাস –

  • সরলরেখা বক্ররেখা (১২জন লেখকের একজন) (অন্যপ্রকাশ, ২০১২) 

গ্রিক মিথলজি আদি থেকে অন্ত লেখক পাঠকদের সম্মুখে এমনই এক পোর্টাল তৈরি করে দিয়েছেন। যেখানে একবার ঢুকলে গ্রিক ইউনিভার্সের অজানা সব রহস্য নখদর্পণে চলে আসবে অনায়াসে। মিথ বা পুরাণকে অনেকে আলাদাভাবে দেখলেও বিষয়টি কিন্তু একই টাইমলাইনের অংশ৷ কেউ মনে করে মিথ মিথ্যা, পুরাণ সত্য! আসলে সবকিছু নিজ বিশ্বাসে ভেলা নিয়ে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার মতোই। মিথ হতে পারে কল্পনা অথবা অলীক জগৎ। আর পুরাণ? পুরাণের বাস্তবতা উপলব্ধি কীভাবে করতে হবে তাহলে? সহজ উত্তর বা ব্যাখা আছে? মিথ ও পুরাণ নিয়ে নানা মতানৈক্য থাকলেও লেখক ভূমিকা অংশে এই নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন

এস এম নিয়াজ মাওলা সম্পর্কে

এস এম নিয়াজ মাওলা। পেশায় একজন চিকিৎসক আর নেশায় একজন নবীন কথা সাহিত্যিক। পেশাগত জীবনটাকে মানুষ সিরিয়াসলি নেয়। এই পেশাগত জীবনের টানেই ছোটবেলা থেকে এত পড়াশুনা করে, এত এত ডিগ্রী নিয়ে একটা পর্যায়ে এসে মানুষ থিতু হয়। ক্যারিয়ার চলতে থাকে আপন গতিতে। সময়টাও চলতে থাকে নিজের মতো করে। ব্যাপারটায় কেমন একটা বাধ্যবাধকতার গন্ধ পাওয়া যায়। তাই না? পেশাগত জীবনটাকে চাবি দিয়ে ঠিকঠাক না রাখলে পুরো জীবনটাই তছনছ হবার পথে চলে যায়। অথচ এই জীবনটাকে ঠিক রাখতে মনের খোরাকের ব্যবস্থাও করতে হয়! নিয়াজ ভাইয়ের এই মনের খোরাক হচ্ছে লেখালেখি!