হিংসে হয়। সত্যিকারের হিংসে।
আজকালকের ছেলেমেয়েগুলোকে দেখি আর বুকের ভেতরে একটা চিনচিনে ব্যথা টের পাই। ওরা কীভাবে জীবন কাটাচ্ছে সেটা নিয়ে না, হিংসেটা অন্য জায়গায় আটকে আছে — বাবা-মায়ের সাথে যেভাবে কথা বলে। অবলীলায়, অনায়াসে, যেন শ্বাস নেওয়ার মতোই স্বাভাবিক। যেন ঘরের মানুষগুলো সত্যিই ঘরের মানুষ।
আমার কাছে এটা ছিল না।
বাবা-মা দুইজনরেই আপনি ডাকতাম। তুমি বলার সাহস কোনোদিন হয়নি। সম্পর্কের ভেতরে একটা অদৃশ্য দেয়াল ছিল — ভালোবাসা ছিল হয়তো, কিন্তু সেই ভালোবাসা কোনোদিন গলে গিয়ে কাছে আসেনি। দূর থেকেই দেখেছি, দূর থেকেই ভালোবেসেছি।
এস এম নিয়াজ মাওলা। পেশায় একজন চিকিৎসক আর নেশায় একজন নবীন কথা সাহিত্যিক। পেশাগত জীবনটাকে মানুষ সিরিয়াসলি নেয়। এই পেশাগত জীবনের টানেই ছোটবেলা থেকে এত পড়াশুনা করে, এত এত ডিগ্রী নিয়ে একটা পর্যায়ে এসে মানুষ থিতু হয়। ক্যারিয়ার চলতে থাকে আপন গতিতে। সময়টাও চলতে থাকে নিজের মতো করে। ব্যাপারটায় কেমন একটা বাধ্যবাধকতার গন্ধ পাওয়া যায়। তাই না? পেশাগত জীবনটাকে চাবি দিয়ে ঠিকঠাক না রাখলে পুরো জীবনটাই তছনছ হবার পথে চলে যায়। অথচ এই জীবনটাকে ঠিক রাখতে মনের খোরাকের ব্যবস্থাও করতে হয়! নিয়াজ ভাইয়ের এই মনের খোরাক হচ্ছে লেখালেখি!