বালক-ফারাও তুতানখামুনের দুটি রাজকীয় চেয়ার

বালক-ফারাও তুতানখামুনের দুটি রাজকীয় চেয়ার

এই দুটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে বালক-ফারাও তুতানখামুনের দুটি রাজকীয় চেয়ার—দুটি ভিন্ন উদ্দেশ্যে তৈরি, কিন্তু দুটোই অসাধারণ শিল্পকর্ম।
 
প্রথম ছবির সোনালি চেয়ারটি তুতানখামুনের রাজসিংহাসন। এটি পুরোপুরি সোনার পাত দিয়ে মোড়ানো, আর তাতে রত্নখচিত অলংকারের কাজ। সিংহাসনের পিছনের অংশে দেখা যায় এক হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য—রাজা তুতানখামুন বসে আছেন, তার স্ত্রী আনখেসেনামুন ভালোবাসা ভরে তার গায়ে সুগন্ধি মাখিয়ে দিচ্ছেন। উপরে সূর্যদেব আতেন তাঁর কিরণ ছড়িয়ে দিয়েছেন। এটি শুধু রাজকীয় আসন নয়, বরং ভালোবাসা, দেবীয় সুরক্ষা ও পারিবারিক সম্পর্কের এক প্রতীক।
 
দ্বিতীয় ছবির চেয়ারটি সম্পূর্ণ আলাদা ধরণের—এটি এক ভাঁজযোগ্য অনুষ্ঠানিক চেয়ার। রাজা ভ্রমণ বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এটি ব্যবহার করতেন। কাঠ, হাতির দাঁত, সোনা ও রঙিন পাথরের কাজ দিয়ে তৈরি এই চেয়ারটির গায়ে সূক্ষ্ম জ্যামিতিক নকশা, পদ্মফুল, আর সূর্যদেব রা–এর প্রতীক খোদাই করা। এতে মিশরীয় কারিগরদের নিখুঁত শিল্পরুচি প্রকাশ পেয়েছে।
 
প্রথম রাজসিংহাসনটি প্রথমবারের মতো GEM এ প্রদর্শিত হচ্ছে।
 
 
 

Related Articles

এস এম নিয়াজ মাওলা সম্পর্কে

এস এম নিয়াজ মাওলা। পেশায় একজন চিকিৎসক আর নেশায় একজন নবীন কথা সাহিত্যিক। পেশাগত জীবনটাকে মানুষ সিরিয়াসলি নেয়। এই পেশাগত জীবনের টানেই ছোটবেলা থেকে এত পড়াশুনা করে, এত এত ডিগ্রী নিয়ে একটা পর্যায়ে এসে মানুষ থিতু হয়। ক্যারিয়ার চলতে থাকে আপন গতিতে। সময়টাও চলতে থাকে নিজের মতো করে। ব্যাপারটায় কেমন একটা বাধ্যবাধকতার গন্ধ পাওয়া যায়। তাই না? পেশাগত জীবনটাকে চাবি দিয়ে ঠিকঠাক না রাখলে পুরো জীবনটাই তছনছ হবার পথে চলে যায়। অথচ এই জীবনটাকে ঠিক রাখতে মনের খোরাকের ব্যবস্থাও করতে হয়! নিয়াজ ভাইয়ের এই মনের খোরাক হচ্ছে লেখালেখি!