একটা সত্য কথা বলি...

একটা সত্য কথা বলি...

গ্রেট পিরামিডের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে আমি খুব বেশি এক্সাইটেড হইনি। কেন হইনি? আমার কাছে মনে হইছে, এই খুফু লোকটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পিরামিড বানাইলো, অথচ নিজের কোনো স্টাচু নেই! ৭.৫ সেমির ছোট একটা মূর্তি পাওয়া গেছে শুধু!

অন্যদিকে আজ এবং গতকাল মিলে রামেসিস দ্য গ্রেটের তিনটা বিশাল মূর্তি দেখলাম, বিশাল! মিশরে খুফু গ্রেট শাসক নয়, বরঞ্চ সবজায়গাতে রামেসিস দ্য গ্রেট! রামেসিসকে শায়িত করার জায়গায় আমি এখনো যাইনি। রামেসিস নিয়ে কী লিখব জানি না, কারণ বাংলাদেশের প্রায় সব মুসলমানই বিশ্বাস করেন, রামেসিস দ্য গ্রেটই কোরানে বর্ণিত সেই ফারাও, যিনি মুসা (আ)-কে ধাওয়া করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন। যদিও, এক্ষেত্রে আমার ধারণা ভিন্ন।

যাহোক, খুফুর পিরামিডের চেয়ে বরঞ্চ আমি খুব বেশি এক্সাইটেড হয়েছি উনাসের পিরামিডে ঢুকে। তুলনায় অনেক ছোট এই পিরামিডে আমি যে পিরামিড টেক্সট পেয়েছি! পঞ্চম রাজবংশের উনাসই প্রথম রাজা, যিনি তার পিরামিডে আঁকাআঁকি করেছেন হায়ারোগ্লিফ দিয়ে। এটাই প্রথম পিরামিড টেক্সট। আমি বিশ্বের সেই প্রথম পিরামিড টেক্সটের সামনে দাঁড়িয়ে....

সবসময় বড় হলেই যে ভালো লাগবে, তা না...

পুনশ্চ: এই ছবিটা তুলতে ২০ ইজিপি ঘুষ দেওয়া লেগেছে...

#d3_egypt

Related Articles

এস এম নিয়াজ মাওলা সম্পর্কে

এস এম নিয়াজ মাওলা। পেশায় একজন চিকিৎসক আর নেশায় একজন নবীন কথা সাহিত্যিক। পেশাগত জীবনটাকে মানুষ সিরিয়াসলি নেয়। এই পেশাগত জীবনের টানেই ছোটবেলা থেকে এত পড়াশুনা করে, এত এত ডিগ্রী নিয়ে একটা পর্যায়ে এসে মানুষ থিতু হয়। ক্যারিয়ার চলতে থাকে আপন গতিতে। সময়টাও চলতে থাকে নিজের মতো করে। ব্যাপারটায় কেমন একটা বাধ্যবাধকতার গন্ধ পাওয়া যায়। তাই না? পেশাগত জীবনটাকে চাবি দিয়ে ঠিকঠাক না রাখলে পুরো জীবনটাই তছনছ হবার পথে চলে যায়। অথচ এই জীবনটাকে ঠিক রাখতে মনের খোরাকের ব্যবস্থাও করতে হয়! নিয়াজ ভাইয়ের এই মনের খোরাক হচ্ছে লেখালেখি!