এবারের বইমেলা আমার জন্য একটু অন্যরকম। শুধু নতুন বই আসছে বলে না—মনে হচ্ছে একটা অধ্যায় বদলাচ্ছে।
২০২৬ নিয়ে আমার মাথার ভেতর অনেক ভাবনা ঘুরছে।
চাকরি ছাড়লে কী করব, তার পরিকল্পনা আছে। সেটা এখন বলছি না। তবে লেখালেখির পরিকল্পনা পরিষ্কার।
২০২৬ মেলার পর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আমি তিনটা বড় কাজ শেষ করতে চাই—
সম্ভব হলে একটা গল্পগ্রন্থও বের করতে চাই। গবেষণার বইয়ের ভিড়ে আমার ছোট গল্পগুলো যেন অপেক্ষা করে আছে।
২০২৭-এর একটা খসড়া মাথায় আছে—
সবই আল্লাহর ইচ্ছা। মাঝে মাঝে ভয় পাই। শরীর বারবার সাড়া দিচ্ছে না। আইসিইউ, এইচডিইউ—এই শব্দগুলো জীবনের অংশ হয়ে গেছে। কখনো মনে হয় সময় খুব বেশি নেই। কিন্তু এই ভয়টার সঙ্গেই আরেকটা তাড়না কাজ করে—লিখে যেতে হবে। যতদিন পারি।
“মিথলজি ফাউন্ডেশন”।
বাংলাদেশের লোককথা, আঞ্চলিক পুরাণ, হারিয়ে যেতে বসা গল্পগুলো সংগ্রহ করা। গবেষণা করা। নিয়মিত পত্রিকা বের করা। যেন আমাদের মাটির গল্পগুলো বইয়ের পাতায় বেঁচে থাকে।
আমি জানি পথ সহজ না। কিন্তু স্বপ্ন না থাকলে তো লেখা যায় না।
যতদিন আছি, লিখে যেতে চাই। কারণ লেখাই এখন আমার কাছে বেঁচে থাকার সবচেয়ে সত্য উপায়।
পুনশ্চঃ ভালো কথা, অন্ত্যমিল বুকস কিন্তু আমাদের! 