পিরামিডের নীচে কি সত্যিই কিছু পাওয়া গিয়েছে?

 
পিরামিড ভিনগ্রহের এলিয়েনদের তৈরী - এটা একটা দারুণ জনপ্রিয় মিথ। তাদের অনেকগুলো যুক্তির মধ্যে একটি হচ্ছে - এত বড় বড় পাথর কীভাবে গিজাতে নিয়ে আসা হয়েছে?
না, গ্রেট পিরামিড বা খুফুর পিরামিডের পাথর গিজাতে নিয়ে আসা লাগেনি। এই পিরামিডটি যে পাথর দিয়ে তৈরী, তা এই পিরামিডের পাশেই ছিল। ছবিতেই দেখা যাচ্ছে, পুরো গিজা মালভূমি এলাকা জুড়ে পাথর ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
 
খেফ্রেনের পিরামিড নির্মাণে অ্যালাবেস্টর ব্যবহার করা হয়েছিল, যা আনা হয়েছিল প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দূরের আসওয়ান থেকে, নৌকায় করে।
মেনকাউরের পিরামিড অসমাপ্ত ছিল। এতে লুক্সোর থেকে আনা পাথর ব্যবহার করা হয়েছিল। এটা আসলে ঐ সময়ের অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথাই তুলে ধরে।
অতএব, পাথরের মিথ ঠিক নয়।
 
কিন্তু, খেফ্রেনের পিরামিডের নীচে কিছু পাওয়া গিয়েছে, যা নিয়ে সবাই এখন কথা বলছে?
- গিজা কমপ্লেক্সের গাইডরা এ ব্যাপারে কিছুই জানে না। তবে খেফ্রেনের পিরামিডে প্রবেশ করা বন্ধ। এমনকি এর দক্ষিণ দিকের এলাকাতে যাওয়ায় স্ট্রিকলি নিষিদ্ধ। সেখানে খনন কাজ চলছে। দূর থেকে সেই জায়গাটা আমি দেখেছি। ছবি তুলতে পারিনি। তবে যতটুকু দেখেছি, বা গাইড আমাকে যা বলেছে, মনে হয়েছে ঐ জায়গাটাতে বেশ কিছু সমাধি পাওয়া গিয়েছে। রাডার দিয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক দুজন যা পেয়েছেন, সেরকম কিছু অবশ্য এখন দেখতে পাবার কথাও না। ভালো কথা, অধিকাংশ ইজিপ্টোলজিস্টই এখনো এই ফাইন্ডিংকে গুরুত্ব দিতে চাচ্ছেন না। তারা আরো অপেক্ষা করতে চাচ্ছেন।
 

Related Articles

এস এম নিয়াজ মাওলা সম্পর্কে

এস এম নিয়াজ মাওলা। পেশায় একজন চিকিৎসক আর নেশায় একজন নবীন কথা সাহিত্যিক। পেশাগত জীবনটাকে মানুষ সিরিয়াসলি নেয়। এই পেশাগত জীবনের টানেই ছোটবেলা থেকে এত পড়াশুনা করে, এত এত ডিগ্রী নিয়ে একটা পর্যায়ে এসে মানুষ থিতু হয়। ক্যারিয়ার চলতে থাকে আপন গতিতে। সময়টাও চলতে থাকে নিজের মতো করে। ব্যাপারটায় কেমন একটা বাধ্যবাধকতার গন্ধ পাওয়া যায়। তাই না? পেশাগত জীবনটাকে চাবি দিয়ে ঠিকঠাক না রাখলে পুরো জীবনটাই তছনছ হবার পথে চলে যায়। অথচ এই জীবনটাকে ঠিক রাখতে মনের খোরাকের ব্যবস্থাও করতে হয়! নিয়াজ ভাইয়ের এই মনের খোরাক হচ্ছে লেখালেখি!