একটা সত্য কথা বলি...
গ্রেট পিরামিডের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে আমি খুব বেশি এক্সাইটেড হইনি। কেন হইনি? আমার কাছে মনে হইছে, এই খুফু লোকটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পিরামিড বানাইলো, অথচ নিজের কোনো স্টাচু নেই! ৭.৫ সেমির ছোট একটা মূর্তি পাওয়া গেছে শুধু!
এস এম নিয়াজ মাওলা। পেশায় একজন চিকিৎসক আর নেশায় একজন নবীন কথা সাহিত্যিক। পেশাগত জীবনটাকে মানুষ সিরিয়াসলি নেয়। এই পেশাগত জীবনের টানেই ছোটবেলা থেকে এত পড়াশুনা করে, এত এত ডিগ্রী নিয়ে একটা পর্যায়ে এসে মানুষ থিতু হয়। ক্যারিয়ার চলতে থাকে আপন গতিতে। সময়টাও চলতে থাকে নিজের মতো করে। ব্যাপারটায় কেমন একটা বাধ্যবাধকতার গন্ধ পাওয়া যায়। তাই না? পেশাগত জীবনটাকে চাবি দিয়ে ঠিকঠাক না রাখলে পুরো জীবনটাই তছনছ হবার পথে চলে যায়। অথচ এই জীবনটাকে ঠিক রাখতে মনের খোরাকের ব্যবস্থাও করতে হয়! নিয়াজ ভাইয়ের এই মনের খোরাক হচ্ছে লেখালেখি!