যারা মেডিকেলে পড়ছে বা পড়েছেন, তাদের প্রত্যেকের কাছেই প্রফ একটা আতংকের নাম। জলাতঙ্ক রোগের মতো প্রফাতঙ্কও একটি মরণব্যাধি। জলাতঙ্কে যেমন খুব পানির পিপাসা পাবে, কিন্তু পানি দেখলেই ভয়ে সিটিয়ে যাবে, তেমনি প্রফাতঙ্কেও প্রফ দিতেই হবে, কিন্তু প্রফ সামনে চলে আসলেই গলা শুকিয়ে যাবে। শুধু পার্থক্য একটাই, জলাতঙ্কে রোগী মারা যাবে আর প্রফাতঙ্কে পরীক্ষার্থীর ফেল করার সমূহ সম্ভাবনা থাকবে। মেডিকেল জীবনে বর্তমানে তিনবার প্রফ মানে প্রফেশনাল পরীক্ষা দেওয়া লাগে। আমাদের সময় প্রথম দুই বছর পর একবার, আবার দুই বছর পর আরেকবার এবং সর্বশেষ এক বছর পর ফাইনাল প্রফ দেওয়া লাগতো। একবার খারাপ করলে আবার চারমাস পর দেওয়া যেতো। প্রফে লিখিত, ভাইভা এবং প্রাকটিক্যাল অংশ থাকতো এবং তিনটিতেই আলাদাভবে পাশ করতে হতো।