ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে প্রাচীন মিশরের ইতিহাসের এক অনন্য নিদর্শন—বালক-ফারাও তুতানখামুনের কাঠের মুখমণ্ডল। এই ভাস্কর্যটি এখন প্রদর্শিত হচ্ছে গ্র্যান্ড ইজিপশিয়ান মিউজিয়াম (GEM)-এ, যেখানে তুতানখামুনের সমাধি থেকে পাওয়া পাঁচ হাজারেরও বেশি নিদর্শনের মধ্যে এটিও অন্যতম মূল্যবান এক শিল্পকর্ম। এটি মূলত পরিচিত Head of Nefertem নামে।
এটি মূলত একধরনের মডেল হেড, যা রাজকীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় ব্যবহৃত হয়েছিল। প্রত্নতত্ত্ববিদদের ধারণা, এই মূর্তিটি ছিল কোনো ক্যানোপিক কফিনেট বা দেবতার প্রতিরূপের অংশ—যেখানে রাজাকে তার মৃত্যুর পর দেবত্ব প্রদান করার ধারণাটি প্রতিফলিত হয়েছে। এর উপাদান কাঠ, যার ওপর গোল্ড লিফ (সোনার পাত) এবং রঙিন রঙের ব্যবহার ছিল। সময়ের ক্ষয়চিহ্নে আজ অনেক অংশ উঠে গেলেও, মূর্তিটির চোখের গভীর দৃষ্টি আর ঠোঁটের সূক্ষ্ম বাঁক এখনো অবিশ্বাস্যভাবে জীবন্ত।
সোস্যাল মিডিয়াতে জোহরান মামদানির ভিডিয়োগুলো দেখছিলাম। পত্রিকায় কিংবা টিভির রিপোর্টে আগেই পড়েছি, প্রচারনার ক্ষেত্রে মামদানি দারুণ পরিবর্তন এনেছিলেন। ভিডিয়োগুলো দেখে তাই মনে হয়েছে।
প্রসঙ্গান্তরে আরেক কথা বলি। আমাদের দেশে যারা ইউটিউবার, রিলস বানায়, টিকটক করে - তাদের ফলোয়ারের সংখ্যা অনেক থাকে। কারো কারো মিলিয়ন। রাজনীতিতে নামুক বা না নামুক, সাধারণ মানুষ তাদেরকে আগে থেকেই চিনে, জানে। যে কারণে একজন হিরো আলম, কিংবা প্রিন্স মামুন কিংবা আরো অনেককে মানুষ যেভাবে চিনে, প্রথাগত মিডিয়ার অনেক মানুষকেও সেভাবে চিনে না। তারা রাজনীতি করে না, তাই এই পাওয়ারটাকে কাজে লাগাতে পারে না।

এস এম নিয়াজ মাওলা। পেশায় একজন চিকিৎসক আর নেশায় একজন নবীন কথা সাহিত্যিক। পেশাগত জীবনটাকে মানুষ সিরিয়াসলি নেয়। এই পেশাগত জীবনের টানেই ছোটবেলা থেকে এত পড়াশুনা করে, এত এত ডিগ্রী নিয়ে একটা পর্যায়ে এসে মানুষ থিতু হয়। ক্যারিয়ার চলতে থাকে আপন গতিতে। সময়টাও চলতে থাকে নিজের মতো করে। ব্যাপারটায় কেমন একটা বাধ্যবাধকতার গন্ধ পাওয়া যায়। তাই না? পেশাগত জীবনটাকে চাবি দিয়ে ঠিকঠাক না রাখলে পুরো জীবনটাই তছনছ হবার পথে চলে যায়। অথচ এই জীবনটাকে ঠিক রাখতে মনের খোরাকের ব্যবস্থাও করতে হয়! নিয়াজ ভাইয়ের এই মনের খোরাক হচ্ছে লেখালেখি!