সমালোচকেরা মাঝে মাঝে বলে, আমি নাকি হিসাব করে সম্পর্ক বাঁচিয়ে রাখি। তাদের যুক্তিও অমূলক নয়। প্রমাণ হিসাবে তারা আমায় তার কথা বলে।
আমার দশটা বইয়ের মধ্যে আটটার প্রুফ সে দেখেছে, সম্পাদনা করেছে, বাক্য শানিয়েছে, অপ্রয়োজনীয় শব্দ কেটে দিয়েছে, দুর্বল যুক্তি মজবুত করেছে। গ্রিক মিথলজি থেকে মিশরীয়, মেসোআমেরিকান থেকে অ্যাজটেক—একটার পর একটা বইয়ের ভেতরে তার নীরব ছায়া আছে। পুরাণের সমান্তরালে, ব্যথার রাজ্যে আনন্দের খোঁজে, মিথেরা যেখানে শ্বাস নেয়—এমনকি প্রকাশিতব্য কৃষ্ণ নদীর শহরে–এর পাতায়ও তার দৃশ্যমান স্পর্শ লেগে আছে। দুই বাংলার লেখকদের নিয়ে যে সংকলন প্যাপিরাসে পুরাণ বেরিয়েছিল, তার সম্পাদনার পেছনেও ছিল তার নিরলস পরিশ্রম। বাইরে থেকে দেখলে এই সম্পর্কের ভেতর স্বার্থের গন্ধ খুঁজে পাওয়া সহজ। কিন্তু ভেতরের গল্পটা অন্যরকম।